বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়নে একযোগে কাজ করছে
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় চীন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌর শক্তির উন্নয়নে উভয় দেশ একযোগে কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, চীন এই ক্ষেত্রে তার প্রযুক্তিগত সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানি ঘাটতি পূরণে সহায়তা করার চেষ্টা করছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা কাজ করছি। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য শক্তির ওপর। এ বিষয়টি নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথেও ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা হয়েছে। আমার মনে হয় বাংলাদেশের জন্য এখন উপযুক্ত সময় নবায়নযোগ্য শক্তি, সৌর শক্তি তৈরি করা, যাতে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা যায়। সৌর শক্তি চীনের একটি শক্তিমত্তা বা দক্ষতার জায়গা। বাংলাদেশের এই শক্তি/জ্বালানি সংকট সমাধানে আমাদের সহযোগিতার ক্ষেত্রে আমি অনেক সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি।
ইয়াও ওয়েন আরো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার এক নতুন ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছে । এই সফরের মাধ্যমে উভয় দেশ ‘নতুন যুগে একটি অভিন্ন ভবিষ্যতের জন্য চীন-বাংলাদেশ সম্প্রদায়’ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে ইয়াও ওয়েন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের পরবর্তী দুই মাসে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে।