খুরুশকুল আশ্রয়ন প্রকল্পে সাবেক কাউন্সিলর আকতার কামালের ষড়যন্ত্রে ৪ সমাজের নিন্দা
কক্সবাজারের সর্ববৃহৎ প্রকল্প খুরুশকুল জলবায়ু উদ্বাস্তু আশ্রয়ন প্রকল্পের বর্তমান পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে মর্মে বিমানবন্দর এর লাগোয়া পশ্চিম পাশের ৪ সমাজ নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সাবেক কাউন্সিলর আকতার কামাল আজাদের এই ষড়যন্ত্রে সমাজ নেতৃবৃন্দ তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে।
সমাজের নেতৃবৃন্দ প্রেরিত এক বিবৃতিতে জানায়, ২০২০ সনে সরকারি সহযোগিতায় পূর্ণবাসন প্রক্রিয়া শুরু হলে খুরুশকুল জলবায়ু উদ্বাস্তু প্রকল্পে প্রথম দফায় পূনর্বাসন করা হয় ৬০০ পরিবারকে। তৎকালীন সময়ে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বাস্তুভিটা হারিয়ে ফেলে। এসব মানুষ ওইসময় পূর্ণবাসন কাজে সাবেক মেয়রের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বর্তমানে বিমানবন্দরের লাগোয়া পশ্চিম পাশে ৪ সমাজে অবস্থানরত বসতি স্থাপনকারীদের সরকারিভাবে যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা নিশ্চিত করার পর পূর্ণবাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরমধ্যে ২ আগস্ট প্রথম দফায় ৭৪৪ পরিবারকে লটারি পদ্ধতিতে টোকেন প্রদান করা হয়। ২য় ও ৩য় দফায় বসবাসকারীদের তালিকা অনুযায়ী পূর্ণবাসন নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
ইতিমধ্যে জানা যায় কক্সবাজার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এএসআই আকতার কামাল আজাদ বিগত সরকার সময়ে বাতিল করা ৪ হাজার ৪শ' ৯ পরিবারের কাছ থেকে ফ্ল্যাট পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এদের মধ্যে অনেকে এখন ফ্ল্যাট পাওয়ার অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। তারা প্রদত্ত টাকা ফেরত চাওয়াতে সাবেক কাউন্সিলর চরম বেকায়দায় পড়েছেন৷ যার কারণে তিনি কোন উপায়ন্তর না দেখে বর্তমান পূর্ণবাসন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করছেন। ইতিমধ্যে তিনি রোষানল থেকে বাঁচতে বিভিন্ন দপ্তরে নানা অপপ্রচার, ষড়যন্ত্র এবং অভিযোগ করে চলেছেন৷ তার এহেন কর্মকাণ্ডে আমরা সমাজ নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা জানাই। এ ব্যাপারে তার ষড়যন্ত্রে প্রশাসন ও এলাকাবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য ৪ সমাজ নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন।