চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানুষের পরিত্রানের বার্তার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো ইস্টার সানডে
আজ খ্রিস্টান ধর্মালম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সনডে অর্থাৎ খ্রীষ্টের পূণরুত্থান দিবস। যীশু খ্রীষ্ট ক্রুশে মৃত্যুবরণ করে তিন দিনের মাথায় মৃতদের মধ্যে হতে জীবিত হন এবং স্বর্গারোহণ করেন। পবিত্র বাইবেলের নতুন নিয়ম মথি লিখিত সুসমাচার ২৮ অধ্যায় ৬ পদে উল্লেখ আছে- "তিনি এখানে নাই"কেননা তিনি উঠিয়াছেন, যেমন বলিয়াছিলেন, আইস, প্রভু যেখানে শুইয়াছিলেন, সেই স্থান দেখ। রবিবার সকাল ৭ টায় এক আড়ম্বর ও ধর্মীয় ভাবগম্ভীর্যপূর্ণভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আমনুরা লুথারেন মিশন গির্জায় ইস্টার সানডে গির্জা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইস্টার সানডে গির্জা উপাসনাটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার সার্বিক সহযোগিতা করেন আমনুরা লুথারেন মিশন গির্জা ও কবরস্থান উন্নয়ন কমিটি ও আমনুরা মিশন যুব সংঘ। আয়োজন করেন বাংলাদেশ নর্দান ইভানজেলিক্যাল লুথারেন চার্চ (বিএনইএলসি) ও আমনুরা লুথারেন মিশন। উক্ত ইস্টার সানডে উপাসনা গির্জাটি পরিচালনা করেন বিএনইএলসি রাজশাহী সার্কেল পাস্টর রেভারেন্ড রাজেন সরেন ও মন্ডলী পাস্টর সনাতন সরেন এবং সহযোগিতা করেন আমনুরা মিশন লুথারেন চার্চ এর পালক ডেভিড ধনাই হেমব্রম। এই ইস্টার সানডে গির্জায় আমনুরা লুথারেন মিশন, মির্জাপুর,জলাহার, ঝিনাইখোর, বড়বন, চান্দলাই গ্রামসহ অন্যান্য জায়গা হতে শত শত খ্রিষ্টভক্তগণ অংশগ্রহণ করেন। ইস্টার সানডে গির্জা শেষে সকল খ্রীষ্টভক্ত আনন্দ কীর্তন করেন। আমনুরা লুথারেন মিশন গির্জা ও কবরস্থান উন্নয়ন কমিটির সদস্য ও উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম এর তথ্য ও প্রচার সম্পাদক প্রদীপ হেমব্রম জানান আমনুরা লাুথারেন মিশনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন খ্রীষ্টীয় প্রতিষ্ঠান। এইখান থেকে খ্রীষ্টান ধর্মালম্বীরা প্রতি রবিবার সহ অন্যান্য দিনে উপাসনা করে থাকি। আজকের এই *গির্জায় পৃথিবীর সকল মানুষের কল্যানসহ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং পরিত্রাণের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয়েছে। আমনুরা মিশন যুব সংঘের সভাপতি জিহেস্কেল মুরমু বলেন আমরা খুবই আনন্দিত সুন্দরভাবে এই পূণরুত্থান দিন ধর্মীয় গম্ভীর্যপূর্ণভাবে পালন করতে পেরেছি। আমনুরা মিশন যুব সংঘের সম্পাদক জন হেমব্রম তার আমনুরা মিশন মন্ডলী বিএনইএলসি চার্চের পুরাতন একটি মন্ডলী। এই মহৎ দিনে আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম মিলে প্রত্যেক বছরের ন্যায় উপাসনা আয়োজন করা হয় অত্যন্ত ভ্রাতৃত্বের এবং মেলবন্ধনের। ঈশ্বরের আমরা সিএসবি সাভার আশীর্বাদ ও সকলের প্রচেষ্টায় এই উপাসনা থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি।