রুয়েটে বিনম্র শ্রদ্ধায় অমর একুশে পালিত

Amar Ekushey celebrated with humble respect at RUET
নিজেস্ব প্রতিবেদক: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:১২ অপরাহ্ন সারা বাংলা
নিজেস্ব প্রতিবেদক: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:১২ অপরাহ্ন
রুয়েটে বিনম্র শ্রদ্ধায় অমর একুশে পালিত
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।ছবি - কাবিল হোসেন

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারির (শনিবার) প্রথম প্রহর ১২টা ১ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। এ সময় ভাষা শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

উপাচার্যের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, বিভিন্ন হলের প্রভোস্টসহ রুয়েটস্থ বিভিন্ন সংগঠন পৃথকভাবে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে রুয়েট দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক এবং ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সমূহে বিভিন্ন অনুষদের ডীন, সকল পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, দপ্তর ও শাখা প্রধান, হল প্রভোস্টবৃন্দ এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে মাতৃভাষা বাংলা সহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী জাতিগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক।

এসময় তিনি বলেন, বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। আজকের এই দিনে, আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদকে, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা। একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। একুশের এই রক্তাক্ত পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা অর্জন করেছি বাংলাদেশের স্বাধীনতা।