---ঢাবি উপাচার্য

সরে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছি !!দায়িত্বে থাকা না থাকার সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকারের উপর-

The decision to remain in office rests with the elected government.
বিজয়বাংলা নিউজডেক্স :- ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৫:১০ অপরাহ্ন সারা বাংলা
বিজয়বাংলা নিউজডেক্স :- ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৫:১০ অপরাহ্ন
সরে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছি !!দায়িত্বে থাকা না থাকার সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকারের উপর-
সরে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছি !!দায়িত্বে থাকা না থাকার সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকারের উপর-

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং প্রশাসনিক শূন্যতা কমানোর স্বার্থে অংশীজন ও নির্বাচিত সরকার চাইলে তিনি আরও কিছুদিন দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তুত রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য বলেন, “ আপদকালীন বিশেষ এক পরিস্থিতিতে আমি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম। আমি আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব সর্বোচ্চটা দিয়ে পালন করার চেষ্টা করেছি। এই পর্যায়ে এসে আমি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চাই। যেন নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার তাদের নিজেদের মতো করে প্রশাসন সাজাতে পারে। তবে ধারাবাহিকতা ও শূন্যতা কমানোর প্রয়োজনে অংশীজনরা যদি আমাকে রাখতে চান, সে বিষয়ে আমি বিবেচনা করব।”

তিনি আরও জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো তিনি এখনো কোনো পদত্যাগপত্র জমা দেননি। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করা পর্যন্ত তিনি উপাচার্যের দায়িত্বে থাকছেন এবং নতুন সরকারের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা রেখে কাজ করবেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১০ আগস্ট তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল পদত্যাগ করেন। এরপর একই বছরের ২৭ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানকে সাময়িকভাবে উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. শাহীনুর ইসলামের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ১১(২) অনুযায়ী অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানকে সাময়িকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।