দুর্গাপূজা উপলক্ষে নৌপথে যাত্রীদের ১৬ নির্দেশনা, ফিটনেসবিহীন নৌযান চলাচল বন্ধ

16 instructions for passengers travelling by sea on the occasion of Durga Puja
অনলাইন ডেস্ক ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ০২:১৬ অপরাহ্ন নির্বাচিত সংবাদ
অনলাইন ডেস্ক ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ০২:১৬ অপরাহ্ন
দুর্গাপূজা উপলক্ষে নৌপথে যাত্রীদের ১৬ নির্দেশনা, ফিটনেসবিহীন নৌযান চলাচল বন্ধ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ১৬টি নির্দেশনা দিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। --সংগৃহীত ছবি

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ১৬টি নির্দেশনা দিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে রয়েছে ফিটনেসবিহীন নৌযান চলাচল বন্ধ, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় প্রতিরোধ, রাতে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখা এবং নৌদুর্ঘটনা মোকাবিলায় উদ্ধারকারী জাহাজ প্রস্তুত রাখা।

গত ৮ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যাত্রীদের নৌযানে ওঠানামার জন্য নির্ধারিত টার্মিনালের পন্টুন ব্যবহার করতে হবে। সদরঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে নদীর মাঝপথে লঞ্চের সঙ্গে নৌকা বা ট্রলারের মাধ্যমে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ রাখতে হবে। লঞ্চসহ অন্যান্য নৌযানে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করতে হবে।

নৌদুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে ফিটনেসবিহীন লঞ্চ, নৌযান ও ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া রাতে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। দিনের বেলায় স্পিডবোট নদীর মাঝখান দিয়ে চলাচল করতে পারবে না। স্পিডবোটের যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট পরা নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।

দুর্ঘটনা বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উদ্ধারকারী জাহাজ প্রস্তুত রাখতে হবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দরে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা জোরদার এবং আবহাওয়ার সতর্কবার্তা অনুসরণ করে নৌযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সদরঘাট নৌ টার্মিনাল ও পন্টুন এলাকায় হকার ও ক্যানভাসারদের অবস্থান বন্ধ রাখতে হবে। টার্মিনালের প্রবেশপথে নৌযানের রুট ও পন্টুনের তথ্য প্রদর্শন এবং অবৈধ পার্কিং বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

নৌপথের নাব্যতা বজায় রাখার পাশাপাশি ফেরিঘাটে যানবাহনের প্রবেশ ও সারিবদ্ধ চলাচল নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফেরিতে ওঠার আগে চালক ছাড়া অন্য যাত্রীদের বাস বা যানবাহন থেকে নামানোর ব্যবস্থা করতে হবে। এ বিষয়ে ফেরিঘাটে নির্দেশনামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করতে হবে।

নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে টার্মিনালে পানি, স্যানিটেশন, নিরাপত্তা, মোবাইল ফোন চার্জিং ও বিশ্রামের ব্যবস্থা উন্নত করার কথাও বলা হয়েছে।

নৌযাত্রায় জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য লঞ্চে চারটি হটলাইন নম্বর প্রদর্শন করতে হবে। নম্বরগুলো হলো জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, ফায়ার সার্ভিস ১০২, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) যাত্রীসেবা ১৬১১৩ এবং কোস্ট গার্ড ১৬১১১। এ ছাড়া আবহাওয়ার তথ্যের জন্য ১০৯০, ৪১০২৫৭৩০ অথবা ৪১০২৫৭৩১ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ছন্দা পালের স্বাক্ষরে জারি করা নির্দেশনাটি বিআইডব্লিউটিএ, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে পাঠানো হয়েছে।