বিশ্বকাপে মেক্সিকোর বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দক্ষিণ কোরিয়ার অনুশীলন ঘিরে অপ্রত্যাশিত এক ঘটনা উদ্বেগ তৈরি করেছে। গুয়াদালাহারায় দলটির ক্লোজ ডোর অনুশীলনের সময় ওপর দিয়ে একটি অজ্ঞাত ড্রোন উড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ হং মিয়ং-বো মনে করেন, ঘটনাটি তাদের প্রস্তুতিতে বড় কোনো প্রভাব ফেলেনি।
মেক্সিকোর গুয়াদালাহারায় দক্ষিণ কোরিয়ার অনুশীলনের সময় আকাশে দেখা যায় ড্রোনটি। পরে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে সেটি শনাক্ত করে দেশটির সামরিক বাহিনী। নিবন্ধনহীন হিসেবে চিহ্নিত ড্রোনটি পরে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মেক্সিকান ফেডারেল কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, ড্রোনটি অনুমোদনহীন ছিল এবং নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল। সেটি শনাক্ত হওয়ার পর দ্রুত নিষ্ক্রিয় করা হয়।
বৃহস্পতিবার টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে দক্ষিণ কোরিয়া। নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুই দলের জন্যই ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ। সেই ম্যাচের আগে অনুশীলনের সময় এমন ঘটনার কারণে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া শিবিরে।
ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে হং মিয়ং-বো বলেন, ‘গতকাল অনুশীলনের সময় আকাশে একটি ড্রোন ছিল, পরে আমরা বিষয়টি জানতে পারি। সৌভাগ্যবশত, তখনও আমরা ট্যাকটিক্যাল অনুশীলন শুরু করিনি। তাই খুব বেশি প্রভাব পড়েনি।’
তবে এই সময়ে এমন ঘটনা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ। তার ভাষায়, ‘ম্যাচের প্রস্তুতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এমন ঘটনা ঘটেছে, যা অবশ্যই দুর্ভাগ্যজনক।’
বিশ্বকাপকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মেক্সিকোর সামরিক বাহিনী ও স্থানীয় পুলিশ যৌথভাবে নজরদারি চালাচ্ছে। গত সপ্তাহে মেক্সিকো সিটিতে শুরু হওয়া টুর্নামেন্টটি আগামী ১৯ জুলাই পর্যন্ত মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।