
আসন্ন নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম) উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভাইস চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে যাদু কুমার দাসকে ঘিরে জনমনে আলোচনা ও আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। স্থানীয়দের মতে, একজন আদিবাসী নেতা হিসেবে তাঁর দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততা ও জনসংযোগ তাঁকে নির্বাচনী দৌড়ে এগিয়ে রেখেছে।
বড়াইগ্রাম উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা যাদু কুমার দাস। তাঁর পিতা মৃত বাদল কুমার দাস এবং মাতা যমুনা রানী। বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি এলাকায় একটি সুপরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।
বর্তমানে তিনি যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও বড়াইগ্রাম হিন্দু মহাজোটের সাংগঠনিক সম্পাদক, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কার্যকরী সদস্য এবং পূজা উদ্যাপন পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এসব সংগঠনের মাধ্যমে তিনি সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা, ধর্মীয় সহাবস্থান জোরদার করা এবং বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডে অবদান রেখে আসছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একজন সমাজসেবক হিসেবে যাদু কুমার দাসের গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ এবং বিভিন্ন আয়োজনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি।
বড়াইগ্রামের কয়েকজন ভোটার বলেন, “আমরা এমন একজন প্রতিনিধি চাই, যিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা শুনবেন এবং উন্নয়নে কাজ করবেন। যাদু কুমার দাস সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন।”
আরও কয়েকজনের মতে, তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, দীর্ঘদিনের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে তাঁর জয়ের সম্ভাবনা নিয়েও এলাকায় আশাবাদ দেখা যাচ্ছে।
তবে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল নির্ভর করবে ভোটারদের সিদ্ধান্ত, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অবস্থান এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর। তবুও বর্তমান পরিস্থিতিতে বড়াইগ্রামে আদিবাসী নেতা যাদু কুমার দাসকে ঘিরে যে জনসমর্থন তৈরি হয়েছে, তা তাঁকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।